Header Ads

Header ADS

ভূতের বাড়ী




  ভূতের বাড়ী


অনেক অনেক দিন আগেকার কথা। তখন শহরের রাস্তা ঘাট পাকা হয় নাই। কলকারখানাও এত হয়। নাই। স্কুল কলেজ প্রতি জেলায় দু-একটি। কোর্ট-কাচারী গুলোও তাই। পশ্চিম বাংলার নদীয়া জেলার এক অন্য পাড়াগায়ে ছিল এক ভূতের বাড়ী। এ নাম শুনলে সবার বিশেষ করে ছোটদের মনটা ভয়ে এবং কৌতুহলে আনচান করে উঠে। এ বাড়ীর পাশে যে গ্রাম, যে গ্রামেই ছিল রবীনের দাদা-দাদীর বাড়ী। ছোট বেলায় ওর দাদা পড়াশোনা শেষ করে চাকুরী নিয়ে ওপার বাংলায় পাড়া জমায়। তখন ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ একত্র ছিল। ভাগ হয় নাই। রবীনের বাবা মারা গেছেন গাড়ী এক্সিডেন্টে। নদীয়া জেলায় শহরে। ওর মায়ের সাথে রবীনের ছোট মামা থাকে। রবীনের দাদার বাড়ীর সাথে কোন যোগাযোগ নেই। রবীন বি এ পাশ করে পত্রিকায় এ্যাডভারটাইজ দেখে স্কুলে চাকুরী করতে মন ঠিক করে ফেললো। লেখা আছে। ভূতের বাড়া স্কুলে বি. এ পাশ একজন শিক্ষকের প্রয়োজন। খবর নিয়ে রবীন জানতে পারে শহর থেকে ২৫০ মাইল দূরে এই স্থান। রবীন মা ও মামার কাছ থেকে ভূতের বাড়ী যাবার রাস্তার পুরো ম্যাপরানা কাগজে আঁকিয়ে নিল।


সে একদিন চাকুরীর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলো, রবীনকে পথে খাবার জন্য কিছু রুটি, পুরি, মাংস এবং পানির পটে কিছু পানি সাজিয়ে ব্যাগে তুলে দিলেন। প্রতিটি কম্পার্টমেন্টে ৪/৫জন করে যাত্রী। মায়ের লিখে দেওয়া গোরখপুর স্টেশনের কথা মনে পড়লো। হঠাৎ কে যেন বলে উঠলো গোরখপুর এসে গেছে। তাইনা শুনে রবীন বেডিং পত্র নিয়ে নেমে পড়লো। স্টেশনে ২/৩ খানা দোকান। আলো নেই বললেই চলে। তখনও বৈদ্যুতিক বাতি চালু হয় নাই। চিমনীর বাতি একটা গাছের কান্ডের সাথে বাঁধা, তবুও তেলের অভাবে আর বাতাস লেগে সেটাও নিবু নিবু করছে। কোন গাড়ী নেই বললেই চলে। হঠাৎ একটি ঘোড়ার গাড়ী এসে থামতেই রবীন বললো পাড়োয়ান ভাই ভূতের বাড়ী যাবে। সঙ্গে সঙ্গে সে বলে উঠলো ওখানেই আমার বাড়ী। ভাড়ার কথা বলায় সে বললো সে হবেনি। রবীন গাড়ীতে উঠে পড়লো। গাড়ী খট খট খট আওয়াজে ছুটে চললো। রবীন গাড়ীর ভিতরে টর্চ জ্বেলে ঘড়ি দেখলো। রাত তখন ১টা বেজে ১৫মিনিট। ঘড়ি দেখে সে ঘাবড়ে গেল। কারণ এত রাতে অচেনা রাস্তায় একা একা সে গাড়ীতে কি করে উঠলো। ক্ষুধা বেশী লাগায় সে গাড়োয়ানকে বললো এখানে কোথাও খাবার পাওয়া যাবে? গাড়োয়ান জবাব দিল পাঁওয়া যাবেনা। তবে মাইল দশেক পর পাওয়া যাবে। নাকের ভিতরে কথা শুনে রবীনের গা ঘেমে গেল। একটু ঘুম লাগছিল। ভয়ে ও চিন্তায় তার ঘুম কোথায় যেন মিলিয়ে গেল। পথি মধ্যে গাড়োয়ানের অট্টহাসিতে ওর বড় ভয় হতে লাগলো। রবীন অনেক ক্ষণ পর একটা সিগারেট ধরালো। পাড়োয়ান পিছন চেয়ে দেখতে পেল। সে বলতে লাগলো ওটা কি বিড়ি? এগুলো আঁমি একদম সহ্য করতে পারিনা, ওটা ফেলে দে বাবু? রবীন ফেলে না দেওয়ায় সে বললো, ওটা ফেলে না দিলে আমি তোকেই ফেলে দিবো। রবীন ভয় পেয়ে সিগারেটা বাইরে ফেলে দিল।


অনেক পথ যাবার পর আবার খাবারের কথা বললো। গাড়োয়ান বললো, সামনে পাওয়া যাবে, তবে


আমাদের খাবার কি তোমরা খেতে পারবে। রবীন বললো তোমরা মানুষ নও? সে বললো তোমার মত নই।

সে আরো বললো, আমরা মানুষকে একদম সহ্য করতে পারিনা। তবে, মানুষের রক্ত হাড়-মাংস খেতে ব ভালোবাসি। রবীন একথা শুনে স্তব্ধ ও হতবাক হয়ে গেল। সে গাড়ী থেকে লাফ দিতে চাইলো। কিন্তু রাইরের দিকে চেয়ে যা দেখতে পেল তাতে তার আরেল গুড়ম হবার উপক্রম। সে দেখলো পাড়াটা মাটির উপর দিয়ে না গিয়ে গাছ পালার উপর নিয়ে যাচ্ছে। রবীন যখন টর্চ জ্বালালো তখন গাড়ী মাটি দিয়ে চলতে লাগলো। রবীন কিছুই বুঝতে পারলোনা।


এক জায়গায় এসে গাড়ী থামলো। রবীন বের হতে চাইলো, কিন্তু বাহির থেকে দরজায় তালা মারা। ছোট্ট একটা জানালা আছে। সে দিক দিয়ে ৪/৫জন মেয়ে খাবার নাও খাবার নাও বলে একটা গামলা এক গ্লাস পানি ঢুকিয়ে দিল। রবীন স্পষ্ট দেখতে পেল মাংসের তরকারী। হাতে যা ঠেকলো তাতে তার আত্মারাম খাঁচা ছাড়া। ছোট্ট বাচ্চা মানুষের হাত আঙ্গুল সহ। সে তাড়াতাড়ী ওগুলো ফেলে দিয়ে বললো খুব ভালো লেগেছে। গ্লাস ভর্তি পানির পরিবর্তে রক্ত দেখতে পেল। ও উল্টা দিকের জানালা দিয়ে ওগুলোও ফেলে দিল। রবীন যখন খাবারের প্রশংসা করে বসলো, তখন গাড়োয়ান বললো, তোমার মাংস কিন্তু এত মজা লাগবেনা।। তুমি যখন ছোট ছিলে তখন খেতে খুব মজা লাগতো।


মনে হয় ১০০ মাইল যাবার পর গাড়ী থামলো এক পোড়ো বাড়ীতে। আলো বাতি কিছু নেই। সেখানে। অনেকে কথা বলে কিন্তু দেখা যায়না। গাড়োয়ান বললো, কালকে তোঁকে তোঁর দাদার বাঁড়া নিয়ে যাবে। রবীন এর কথা শুনে অবাক হলো, কেননা ওর দাদার বাড়ী এখানে গাড়োয়ান জানলো কি করে। এবার তাকে এক গামলা খাবার, এক ঘটি জল দিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলো। রবীন টর্চ জ্বেলে দেখতে পেল, গামলাতে গোটা একটা শিশুর আস্ত মাথা। চোখ গুলো যেন তার দিকে চেয়ে আছে। রবীনের ভয় আরো বেড়ে গেল। হঠাৎ মনে হলো এর মাতো ব্যাগে পানি ও খাবার দিয়েছিল। এই না ভেবে সে মায়ের দেওয়া মাংস লুচি ওয়াটারপটে রাখা পানি বের করে প্রাণ ভরে খেল। ওগুলো সব পেছনের জানালা দিয়ে ফেলে দিল। রবীন ঘরে খাট ঝেড়ে নিজের বিছানায় শুয়ে পড়লো। মাঝরাতে শুনতে পেল কে যেন হাঁসছে, আবার কাঁদছে। ছাদে শুধু হাঁসি-কান্না আর কট মট শব্দ। ওর খাটখানা ছাদের কাছে উঠে গেছে, আর শুধু দুলছে। রবীন মনে করলো, যদি এ ঘাট এখান থেকে মাটিতে ফেলে দেয় তবে হয়তো সে মরবে না। কিন্তু গুরুতর আহত হবে এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। সে বেহুস হয়ে গেল। তখন সে দেখে কতকগুলো বড় বড় আকারের বাদুর জাতীয় পাখি একে মৃত্যু মনে করে খেতে চাচ্ছে। তার ঠোঁটে মুখে ঠোকর মারছে, আর পরণের জামা কাপড় সব খুলে নিচ্ছে। রবীন তাড়াতাড়ি টর্চ জ্বালালো ওরা ভয় পেয়ে উড়ে গেল। সে বিছানার চাদর পরে উঠে দাঁড়ালো। চেয়ে দেখলো উপরে ছাদের নিচে বাঁশের সাথে কাপড় গুলো ঝুলছে। রবীন মুখ ধুয়ে ব্যাগের রুটি খেয়ে নিল। রবীন ঘরে রাখা একটি লম্বা বাঁশ দিয়ে কাপড়গুলো পেড়ে নিলো। হঠাৎ দেখে গাড়োয়ান ঘরে ঢুকে বলতে লাগলো, এখানেতো কেউ বেঁচে থাকেনা। ঐ পাখিরা সবাইকে মেরে ফেলে। মরার চেয়ে জ্যান্ত খেতে তোমার মাংস যে স্বাধ লাগবে তাঁ আর কি বলবো। রবীন বললো- আমার স্কুল কোথায়? আমার দাদা-দাদী, চাচা-চাচী কোথায় আছে। গাড়োয়ান বললো, রাতে নিয়ে যাবো তাঁদের কাঁছে।


সত্যি সত্যিই সে অনেক রাতে এসে রবীনকে অন্য এক পোড়ো বাড়ীতে নিয়ে গেল। রবীনের দাদা- দাদী এসে বললো- নীতী এদ্দিন মনে পড়লো মোঁদের কথা। চাচা-চাচী এসে রবীনকে চাচু চাঁচু করে আদর করলেন। রবীন একটা জিনিস লক্ষ্য করলো, সবার পা যেন শূন্যের উপরে মাটিতে নেই। আবার আসবে বলে চলে গেল। রবীনের ভয় ক্রমেই বেড়ে চললো। হঠাৎ মনে হলো মা তার গলায় একটা ছোট্ট কোরআন শরীফ সুতো দিয়ে পরে দিয়েছিলেন। কোরআনের সাহসে রবীন বলতে লাগলো, হে খোদা তোমার তো কোরআন সত্য তাই আমাকে সাহস দাও। আমি ভয় না করি, যেন আমি ওদের শায়েস্তা করতে পারি। এরা যেন আমার কোন ক্ষতি করতে না পারে। রবীন আয়তুল কুরছি দোয়া পড়ে শুয়ে পড়লো। রাতে রবীনের- দাদী স্বপ্নে দেখা দিয়ে বললো, ওরে রবীন বিধবা মায়ের সন্তান তুই এখানে থাকিস না পালিয়ে যা। ওরা আমাদের করে মেরে ফেলেছে। ওরা আমাদের রূপনিয়ে তোর সঙ্গে দেখা করেছে। দেখিসনা ওদের পা

মাটিতে পড়েনা? রবীন বললো দাদী ওদের স্কুল কোথায়? দাদী বললো স্কুলে মাস্টার/মাস্টারনী, ছাত্র/ছাত্রী, কেরানী, দপ্তরী সবাইকে ওরা মেরে খেয়ে ফেলেছে। এখন তোকে খাতে চাচ্ছে। কিন্তু পারবেনা ভয় নেই ভাই একজন সৈনিক আসবে তোর এখানে সে এসে তোকে রক্ষা করবে। ওর সাথে পালিয়ে যাস আর কোনদিন এখানে আসিস না। রবীনের ঘুম ভেঙ্গে গেল। সে ঘুম থেকে উঠেই ছোট বাচ্চার কান্না শুনতে পেল। সে পাশের ঘরে উকি দিয়ে দেখতে পেল, একটি ফুটফুটে মানব শিশুকে এক কঙ্কাল বুড়ি ছিড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছে। তার চেহেরা বিশ্রী ওকে একেবারে মেরে ফেলছে না। একবার আঙ্গুল কেটে খাচ্ছে, আবার হাত ছিড়ে খাচ্ছে। পড়ে পা যায়, আবার এক কলজে ভুড়ি খেয়ে খেয়ে মাথাটা কটমট করে চিবিয়ে খেল। রবীন ভাবতে থাকে ওকেও সে একদিন এমনি করে চিবিয়ে খাবে।


প্রতিরাতেই আত্মিয়েরা এসে তার সঙ্গে দেখা করে যায়। কিন্তু কেউ ওকে থাকতে বা খেতে বলে না। রবীন শুধু দেখে ওদের পা মাটি ছোঁয় না। রবীনের গা ছম ছম করে উঠলো। রবীনের জন্য অনেক ফলফলাদি নিয়ে এসেছে সেই গাড়োয়ান। রবীনকে আজ খুব আদর করলো। সে বললো। এগুলো না খেলে মরে যাবে। রবীন খাওয়া দাওয়া সেরে শুয়ে পড়লো। পাখিরা আর তাকে বিরক্ত করেনা। রবীন ঘুম থেকে জেগে দেখে পাশের ঘরে কারা যেন ফিস ফিস করে কথা বলছে। ছোট বড় ৪/৫ জন যারা ওর আত্মিয় সেজে ছিল ওরা সবাই ওর সামনেই আত্মিয়ার বেশ পালটিয়ে কংকাল হলো এবং বসে গল্প করতে লাগলো। ছোটরা বললো ও শিকার করে যাওয়া হবে। বড়রা বললো ও ফল খেয়ে আর একটু মোটা হোক। কেউ কেউ বললো ওঁকে ভাঁজি করে খেলে খুব মজা লাগবে। ছোটরা ভাজি ভাঁজি বলে কান্না জুড়ে দিল। কান্না শুনে বড় দু'জন বললো- আর দু'দিন দেরী করো। এই বলে ওরা বেরিয়ে গের। গাড়োয়ান আর একজনকে গাড়ি করে কোথা থেকে নিয়ে এসেছে। ওকে এনে রবীনের ঘরেই আটকে রাখলো, তাকে দেখে রবীনের সাহস কিছুটা বেড়ে গেল। পরিচয়ে জানতে পেল সে একজন সৈনিক। ও সাধারণ পোশাক পড়েছিল। তার ব্যাগে অনেকগুলি কাটিজ আছে। সাথে একটি পিস্তলও। তবে মজার কথা হলো, ওর কাছে এমন এক জাতীয় ট্যাবলেট আছে যা খেলে ৮/১০দিন কোন ক্ষুধা তৃষ্ণা লাগেনা। ওরা দু'জনে বৃদ্ধি করলো কিভাবে পালানো যায়। দু'জনে একত্রে ঘুমিয়ে পড়লো। রাতে পাখিরা সৈনিকের কাপড় ধরে টানতেই ওর ঘুম ভেঙ্গে গেল। সে জেগেই ব্যাগ থেকে পিস্তল নিয়ে ফটাফট গুলি করতেই পাখিরা ভয়ে উড়ে গেল। দু'টাকে গুলি লাগায় চিচি করে পালালো। শব্দ কানে এলো মলামরে মলামরে।


দিনের বেলায় ভূতের কোন বালাই থাকে না। কেননা ওরা দিনের বেলায় সবাই বাড়ী থেকে অনেক দূরে খাবারের জন্য চলে যায়। ওরা যাবার সময় সব ঘরে তালা মেরে যায়। রবীন বললো আচ্ছা সৈনিক ভাই এ তালা ভাঙ্গা যাবে না? সৈনিক বললো যাবে না মানে একশ বার যাবে। সৈনিক আট দশটি গুলি চালালো একই জায়গায়। ফলে দরজার ভিতরের শিকল ও বালা ছিড়ে গেল। ওরা দু'জন বের হয়ে পালাতে লাগলো।


ভূতেরা দূরে গিয়েছিল বলে পিছু নিল না কেউ। তবে রাস্তায় ঐ গাড়োয়ানের সঙ্গে দেখা হলো। গাড়োয়ান মনে করলো ওরা ওকে চেনে নাই। এই জন্য নরম সুরে বলতে লাগলো- বাবুরা আপনারা ভাড়া যাবেন। আপনারা কি গোরখপুর স্টেশনে যাবেন। মনে হলো গাড়োয়ান ভেবেছিল, ওদের গোরখপুর স্টেশনের নাম করে গাড়িতে নিয়ে আবার ভূতের বাড়ী নিয়ে যাবে। গাড়োয়ান তো আগেই ওদের চিনতে পেরেছিল। আসলে সে না চেনার ভান করছিল। কিন্তু রবীন ওকে দেখে বললো-


সৈনিক ভাই এ শালাই আসল কালপিট। একে গুলি করো। একথা শুনতেই সৈনিক পরপর দু'টি গুলি করলো। কিন্তু গাড়ীটা শূন্যে গিয়ে গাছপালার উপর দিয়ে চলতে শুরু করলো। অনেক উঁচুতে যাওয়ায় ওকে মারতে ব্যর্থ হলো। স্টেশনে গিয়ে জানতে পেলো ভূতেরা এ গ্রামের সবাইকে মেরে খেয়ে ফেলেছে। ভূতের বাড়ী স্কুলে আর কেউ নেই। ছাত্র/ছাত্রী, মাস্টার/মাস্টারনী এমনকি পিয়ন, দপ্তরী সবাইকে ওরা খেয়ে শেষ করেছে। ওরাই মানুষের রূপ ধরে পত্রিকা অফিসে গিয়ে এ্যাডভারটাইজ দিয়েছে। ওদের ধারণা কেউ কেউ আসবেই। আসলে মজা করে খাওয়া যাবে। ভূতের বাড়ী স্কুলটাই শুধু দাঁড়িয়ে আছে। রবীন ও সৈনিক দু'জনেই খোদার কাছে হাজার হাজার শোকর করে যে যার বাড়ীর দিকে রওনা দিল।


জনাব আমার লেখা গুলো যদি আপনার কাছে ভালো লাগে তাহলে মন্তব্য এবং শেয়ার করুন যাতে আমি আগামী তে আরো নতুন কিছু নিয়ে আসতে পারি। 


কোন মন্তব্য নেই

  [ছেলোদের পরীক্ষা হবে কেন্দ্রীয় বড় জামে মসজিদের ২য় তলায়, তারিখ- ৯ই ডিসেম্বর সকাল ৯টা এবং মেয়েদের পরীক্ষা মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ এর প...

Blogger দ্বারা পরিচালিত.